দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ঘন ঘন বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে ব্যাহত হচ্ছে চিকিৎসাসেবা। বিদ্যুৎ চলে গেলে হাসপাতালের বিভিন্ন কক্ষ অন্ধকার হয়ে পড়ে। এমন পরিস্থিতিতে রোগী দেখাসহ জরুরি চিকিৎসাসেবায় কর্তব্যরত চিকিৎসকদের মোবাইল ফোনের ফ্ল্যাশলাইট ব্যবহার করতে হচ্ছে।
৫০ শয্যাবিশিষ্ট এই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিতে আসা রোগী ও তাদের স্বজনেরা জানান, দিনে রাতে প্রায়ই বিদ্যুৎ চলে যায়। এতে সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়তে হয় জরুরি বিভাগের রোগীদের। বিদ্যুৎ না থাকায় অন্ধকারের মধ্যে রোগী দেখা ও বিভিন্ন জরুরি কাজ করতে চিকিৎসকদেরও ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে।
হাসপাতালে ভর্তি রোগী ও তাদের স্বজনদের অভিযোগ, বিদ্যুৎ সমস্যার কারণে চিকিৎসাসেবা ব্যাহত হচ্ছে। দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকলে রোগীদের অন্ধকারে থাকতে হয়। জরুরি মুহূর্তে হাসপাতালের বিকল্প বিদ্যুৎ ব্যবস্থা কার্যকর থাকার কথা থাকলেও সেটি সচল না থাকায় দুর্ভোগ আরও বাড়ছে।
চিকিৎসা নিতে আসা আব্দুর রাজ্জাক হাওলাদার বলেন, “এই হাসপাতালে বিদ্যুৎ একটা বড় সমস্যা। জেনারেটর নেই। এখন আবার ভয়াবহ লোডশেডিং হচ্ছে। বাধ্য হয়ে এখানে আসতে হয়। কিন্তু এসব বিষয়ে কার্যকর কোনো উদ্যোগ দেখা যায় না।”
মঠবাড়িয়া পল্লী বিদ্যুৎ জোনাল অফিসের ডিজিএম আমিনুল ইসলাম সুমন বলেন, “চাহিদার তুলনায় বিদ্যুতের বরাদ্দ কম থাকায় লোডশেডিং হচ্ছে। প্রয়োজন অনুযায়ী বরাদ্দ পাওয়া গেলে এ সমস্যার সমাধান হবে।”
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. সৌমিত্র সিনহা রায় বলেন, “জরুরি বিভাগের জন্য যে জেনারেটরটি ছিল, সেটি নষ্ট হয়ে আছে। ঘন ঘন লোডশেডিংয়ের কারণে চিকিৎসাসেবা দিতে সমস্যা হচ্ছে।”
রোগী ও তাদের স্বজনেরা চিকিৎসাসেবার মতো জরুরি প্রতিষ্ঠানে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক রাখার পাশাপাশি নষ্ট জেনারেটর মেরামত করে বিকল্প বিদ্যুৎ ব্যবস্থা দ্রুত সচল করার দাবি জানিয়েছেন।
কেএম